ফেনীতে হলুদ-মরিচের গুড়ায় বায়ূ দূষণের দায়ে আরো ১২ প্রতিষ্ঠানে তালা: ২ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড

শহর প্রতিনিধি->>

ফেনীর তাকিয়া রোডের হলুদ মরিচ গুড়ার কারখানায় হলুদ মরিচের গুড়া বাতাসে ছড়িয়ে পরিবেশ দূষন করার অভিযোগে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়। বৃহস্পতিবার ফেনীর ইসলামপুর রোডের আবুবক্কর সিদ্দিক সড়কের ১০টি ক্রাসিং কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা।

কারখানাগুলোর হলুদ মরিচের গুড়া বাতাসে ছড়িয়ে পড়ায় মারাত্মক ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। কারখানা সংলগ্ন স্থানে মাস্ক ছাড়া হাঁটা না যাওয়ায় এলাকাবাসী একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে ১০টি ক্রাসিং কারখানায় ২০ হাজার করে দুই লাখ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তালা ঝুলিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয় ১২টি ক্রাসিং কারখানা।

দন্ডিতরা হলেন : ফরিদ মিলস এর সহিদুল ইসলাম (শাহীন), ইসমাইল মিলস এর মো: ইসমাইল, বৈশাখী মিলস এর রবিন্দ্র দেবনাথ, আলাউদ্দিন ট্রেডার্স এর আলাউদ্দিন, আইয়ুব আলী ট্রেডার্স এর আইয়ুব আলী, ভূঁইয়া মসলা মিলস এর আবুল কালাম আজাদ, নারায়ন মিলস এর নারায়ন বণিক, এরশাদ মিলস এর এরশাদ উল্যা, তৈয়ব মিলস এর আবু তৈয়ব ও মেসার্স আবুল হোসেন মিলস এর আবুল হোসেন। পরে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যকলাপের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয় প্রতিষ্ঠানগুলো। সবগুলো প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করার পর তালা ঝুলিয়ে দেয় ভ্রাম্যমান আদালত। একই সাথে দূষণ বন্ধ করার জন্য ডাস্ট কালেক্টর বসানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয় মিল মালিকদের।

এছাড়াও আব্দুল কুদ্দুস মিলস ও জহির উদ্দিন ক্রাশিং মিল নামে দুটি মিলের মালিক পক্ষ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় পালিয়ে যাওয়ায় ওই প্রতিষ্ঠানগুলোও বন্ধ করে দেয় ভ্রম্যমান আদালত হয়।

অভিযানে জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর সুজন বড়ুয়া, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক ফয়জুল কবীর ও ব্যাটালিয়ান আনসারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গতকালও ভেজাল মেশানো ও দূষণের অভিযোগে ৮ প্রতিষ্ঠানে তালা দেওয়া হয় ও এক লক্ষ পচাত্তর হাজার টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *