স্কালারশিপ নিয়ে উচ্চতর পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন ফেনী ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা

সংবাদদাতা, ৮ ফেব্রুয়ারী

 বিশ্বের স্বনামধন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কালারশিপ নিয়ে উচ্চতর পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন ফেনী ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা। আমেরিকার মরগ্যান স্টেট ইউনিভার্সিটিতে স্প্রিং-২০২১ সেমিস্টারের জন্য ফেলোশিপ ও স্কলারশিপের জন্য মনোনীত হয়েছেন ফেনী ইউনিভার্সিটির ইলেট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১ম ব্যাচের ছাত্র জাহাঙ্গীর আলম নোমান ও শেখ শাহপরান মাহতাব।

সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় আমেরিকার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ছেড়ে যাবেন তারা। মাহতাব এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার গর্ভমেন্ট স্কলারশিপের জন্যও মনোনীত হয়েছিলেন। যা করোনা মহামারির জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। স্কলারশিপ পেয়ে ফেনী ইউনিভার্সিটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন নোমান ও মাহতাব।

শেখ শাহপরান মাহতাব বলেন, ইউনিভার্সিটির ইলেট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টা অধ্যাপক প্রফেসর ড. মো. মহিউদ্দিন স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তারা অনেক সহযোগিতা করেছেন। দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. সাইফুদ্দিন শাহ স্যারের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি সব সময় খোঁজ-খবর রেখেছেন। অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। আমি ফেনী বিশ্ববিদ্যালয়েল প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী। এই বিশ্ববিদ্যালয় আমার আবেগের জায়গা। আমার এই অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনস্বীকার্য। ফেনী বিশ্ববিদ্যালয়েল কেউ যদি বিদেশে স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে চায় তাদের অবশ্যই আমি তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করবো।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আরেক শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর আলম নোমান বলেন, ফেনী ইউনিভার্সিটির ইলেট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উপদেষ্টা অধ্যাপক প্রফেসর ড. মো. মহিউদ্দিন স্যার ফেনী ইউনিভার্সিটি তথা আমাদের জন্য যতটুক করেছেন তা বলার বাইরে। আমাদের গবেষণার হাতেখড়ি তার হাতে। স্যার আমাদের বাংলাদেশর এটমিক এনার্জি কমিশনে তার বন্ধু ড. নজরুল ইসলাম খানের কাছে কাজের সুযোগ করে দেন। তাদের উভয়ের কাছে করা কাজগুলোর জন্য প্রতিটি জায়গায় আমাদের প্রোফাইল খুবই ভালো মূল্যায়ন পায়। তাদের কাছে আমরা আজীবন কৃতজ্ঞ। সর্বপরি আমি ফেনী বিশ্ববিদ্যালয়ের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।

এছাড়া কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থী ইসমাইল সিদ্দিকি ইমন মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি কেবাংসান (ইউকেএম-ওয়ার্ল্ড র‌্যাংক ১৪১)-এ গ্রাজুয়েট রিসার্চ অ্যাসিস্টেন্টশিপসহ স্কলারশিপ পেয়েছেন। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি মাস্টার্স অফ কম্পিউটিং (রিসার্চ টপিক-আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) সম্পন্ন করবেন। ফেনী ইউনিভার্সিটির ইলেট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং ১০ম ব্যাচের আরেক শিক্ষার্থী মোস্তাফিজ মালয়েশিয়ার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ইউকেএমে গ্র্যাজুয়েট রিসার্চ অ্যাসিস্টেন্টশিপসহ অ্যাডমিশন অফার লেটার পেয়েছেন।

সুইডেন, অস্ট্রেলিয়া ও মালেশিয়ার মতো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বনামধন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ শিক্ষার জন্য গেছেন ৪ জন শিক্ষক। শিক্ষা ছুটিতে থাকা এসব শিক্ষক পুনরায় এসে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেবেন। স্কলারশিপ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পিএইচডি করতে যাচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান মো. এরশাদুল হক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *