সোনাগাজীতে পুলিশ-ডাকাত গোলাগুলি, আহত-৭ : গুলিবিদ্ধ ডাকাতকে চট্রগ্রাম মেডিক্যালে ভর্তি

প্রতিনিধি, সোনাগাজী,

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া এনামুল হক তালিকাভুক্ত ও আন্তজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোয়াজ্জেম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় একটি একনলা বন্দুক, দুটি গুলি, একটি মোবাইল ফোন ও কয়েকটি ছোরা উদ্ধার করেছে। গুলিবিদ্ধ এনামুল হক নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার শ্যামের গাঁও এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশের আহত সদস্যরা হলেন উপপরিদর্শক (এসআই) সেলিম জামান সরকার, পুলিশ কনস্টেবল মোরশেদ আলম, আরিফুল ইসলাম, অং সিং, মজিবুল হক ও মো. শাহীন। আহত পুলিশ সদস্যরা ফেনী সদর ও সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে উপজেলার চরমজলিশপুর ইউনিয়নের চরলক্ষ্মীগঞ্জে চৌরাস্তা এলাকায় ১৫–১৬ জনের একদল সশস্ত্র ডাকাত অবস্থান নিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গোপনে সংবাদ পেয়ে পুলিশও ওই এলাকায় গিয়ে অবস্থান নেয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ২০টি গুলি চালায়। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এনামুল হক নামের একজনকে আটক এবং ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার করে।

গুলিবিদ্ধ এনামুল হককে প্রথমে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নুরুল আলম  বলেন, আহত চার পুলিশ সদস্যের আঘাত সামান্য হওয়ায় তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, পুলিশ-ডাকাত গোলাগুলিতে এক ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়েছে। এ ঘটনায় ছয় পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এনামুলের বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, অস্ত্র ও ডাকাতির অভিযোগে সাত-আটটি মামলা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *