বঙ্গবন্ধুর জন্য বাংলাদেশ পেয়েছি- আজিজ আহম্মদ চৌধুরী

 

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদের সদস্য ফেনী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজ আহম্মদ চৌধুরী বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারণে বাংলাদেশ পেয়েছি। তারপরেও বঙ্গবন্ধুকে জীবন দিতে হয়েছে। বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করতে হবে। আমি গত পঞ্চাশ বছর ধরে এ চেতনা বহন করে চলেছি। এ পথ খুব কঠিন পথ।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শোষিত, নির্যাতিত-নিপীড়িত, কৃষক, শ্রমিক, মজুর, দু:খী মানুষের কথা বলতেন তাদের পাশে দাঁড়াতেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়ে বাঙ্গালি জাতিকে শোষণ-নিপীড়ন থেকে মুক্তি দিয়েছেন। নতুন আশার পথ দেখিয়েছিলেন। এটা আজকের শিক্ষার্থীদের ভালোভাবে উপলদ্ধি করতে হবে।

তিনি বলেন, কোরআন শিক্ষায় সমাজকে আলোকিত করতে হবে। ইসলাম হচ্ছে শান্তির ধর্ম। ইসলাম সাম্যবাদী ধর্ম। ঈমাণ-আকিদা ও সুন্নাহ ভিত্তিক নিজেকে পরিচালিত করতে হবে। বর্তমান সরকার মাদ্রাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী করতে সবধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দুর্নীতির বদনাম ঘুচিয়ে নি¤œ আয়ের দেশ থেকে নি¤œমধ্য আয়ের দেশে উত্তরণ ঘটেছে। মিলেছে জাতিসংঘের স্বীকৃতি। তাই উন্নয়নের সোপানে হাঁটতে আগামী নির্বাচনেও বিএনপি-জামায়াতকে হটিয়ে নৌকা মার্কার বিজয় নিশ্চিত করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

গতকাল সোমবার ফেনীর দাগনভূঞা পৌরসভার রামানন্দপুরে মুন্সি আবদুল কাদের হিফজুল কোরআন মাদ্রাসা ও এতিমাখানা ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ও অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাদ্রাসা পরিচালক মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে ও দৈনিক অজেয় বাংলা সম্পাদক বিটিভি ফেনী প্রতিনিধি শওকত মাহমুদের সঞ্চালনায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দাগনভূঞা পৌরসভার মেয়র ওমর ফারুক খান, দাগনভূঞা বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক মিন্টু, সাপ্তাহিক নবকিরণ প্রকাশক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শানুল ইসলাম টিপু, দাগনভূঞা পৌরসভার কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান সবুজ, দাগনভূঞা বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান মাস্টার খুরশিদ আলম, দাগনভূঞা পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাসুদ আহমেদ, সৌদি প্রবাসী সাংবাদিক এনায়েত উল্যাহ ও সাংবাদিক নাছির উদ্দিন আজাদ।

মোনাজাত পরিচালনা করেন- স্থানীয় মসজিদের খতিব মাওলানা শহীদুল ইসলাম।

এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত; কোরআনে শিক্ষায় পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে মুন্সি আবদুল কাদের হিফজুল কোরআন মাদ্রাসা ও এতিমাখানা ২০০২ সালে পথচলা শুরু হয়। গত ১৬ বছরে অত্যন্ত সুনামের সাথে এ দ্বীনি প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়ে আসছে। গত ৩ বছরে এবতেদ্বায়ীতে শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করে। এছাড়া এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী কোরআনে হাফেজ সম্পন্ন করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *