ফেনীর বহুতল ভবনগুলোতে সংকুচিত সিঁড়ি-নেই অগ্নি নির্বাপন ও পার্কিং ব্যবস্থা

সৌরভ পাটোয়ারী,

ফেনীর বেশির ভাগ বহুতল ভবনের সিঁড়ি সংকুচিত-অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ও পাকিং ব্যবস্থা নেই।ফলে অগ্নিকান্ড, ভূমিকম্প বা অন্যকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, শহরের শহিদ শহিদুল্লাহ কায়সার সড়ক, ইসলামপুর রোড, পুলিশ কোয়াটার, ট্রাংক রোড, মাস্টার পাড়া, সহদেবপুর, ডাক্তার পাড়া, বনানী পাড়া, একাডেমী, কলেজ রোড, কুমিল্লা বাসষ্ট্যান্ড, শান্তি কোম্পানী রোডে অবস্থিত বেশির ভাগ বহুতল ভবনের সিঁড়ি সংকুচিত। নেই কোনো অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা। আবার যে সব ভবনে অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা আছে সেখানকার লোকজন জানেন না অগ্নি নির্বাপন যন্ত্রের ব্যবহার।

ফেনী শহরের জামাল মার্কেট, রহমান মার্কেট, ভূইয়া শপিং সেন্টারসহ বেশ কিছু শপিং মলে রয়েছে গার্মেন্ট সামগ্রীর দোকান, ব্যাংক, বীমাসহ পত্রিকা অফিস।এসব মার্কেট ও অফিসে কর্মরত আছে শত শত মানুষ।্এ সব সংকুচিত সিঁড়ি দিয়ে উঠা-নামা করতে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। বিশেষ করে নারী-পুরুষ ও শিশুরা বেশি বেকায়দায় পড়েন। মার্কেটগুলোতে নেই পার্কিং ব্যবস্থা ফলে রাজপথে/ ফুটপাতে গাড়ী রাখতে হয় জনসাধারনকে।

জামাল মার্কেটের ঔষধ ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন জানান, এ মার্কেটের অগ্নি নির্বাপন যন্ত্র নেই।আল্লাহ না কুরুক দুর্ঘটনা ঘটলে ব্যাপক প্রাণহানি হবে।

ইসলামপুর রোড়স্থ জাহাঙ্গীর প্লাজার আরেক ব্যবসায়ী জানান, এ মার্কেটটা বহুতল হলেও সিঁড়ি ছোট। এতে করে উঠানামা কষ্টকর।

গ্রীণটাওয়ারের আরেক ব্যবসায়ী জানান, এখানে অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা আছে। তবে এর ব্যবহার আজো আমাদের শেখানো হয়নি।

ফেনী পৌরসভার প্যানেল মেয়র আশরাফুল আলম গিটার“ ফেনীর তালাশ”কে জানান, বর্তমানে পৌরসভা অনুমোদন ছাড়া বহুতল ভবন করার অনুমোদন নেই। ফেনীতে অনেক পুরাতন বিল্ডিং বা ভবন দোতলা অনুমোদন নিয়ে ৫তলা করেছে। সেখানে অনেক ঝুঁকি নিয়ে মানুষ বসতি করছে।গুটিয়ে না নিলে এগুলোর বিরুদ্ধে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবো।

এ ব্যপারে ফেনী ফায়ার ষ্টোশানের ইনচার্জ মো: কবির আহম্মদ “ ফেনীর তালাশ”কে জানান, উপরোক্ত সমস্যার আলোকে আগামী সপ্তাহে ফেনীর বড় বাজারের ফেনী শহর ব্যবসায়ী কমিটির কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা আছে। সমস্যাটি নিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে কাজ করছি।তারপর অভিযানে নামবে  ফায়ার ষ্টোশান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *