ফেনীর কৃতি সন্তান এম আবদুল্লাহ বিএফইউজের সভাপতি

ঢাকা অফিস

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) একাংশের নির্বাচনে সভাপ‌তি প‌দে নির্বাচিত হয়েছেন ফেনীর সন্তান এম আবদুল্লাহ। তিনি ভোট পেয়েছেন ১৫৯টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুহুল আমিন গাজী পেয়েছেন ১৫০ ভোট।

 

বিএফইউজে সূত্র জানায়, শনিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত জাতীয় প্রেস ক্লাবে এই নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হয়। ভোট গননা শেষে রাত ১১টায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ফলাফল ঘোষণা করে। একক প্রার্থী থাকায় ইতোপূর্বে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মহাসচিব পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন নূরুল আমিন রোকন। সহকারি মহাসচিব পদে নির্বাচিত তিনজন হলেন নাসির আল মামুন, শফিউল আলম দোলন ও শহীদুল্লাহ মিয়াজী। কোষাধ্যক্ষ পদে মুহাম্মদ খায়রুল বাশার, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে খুরশীদ আলম, দফতর সম্পাদক পদে তোফায়েল হোসেন, প্রচার সম্পাদক পদে মাহমুদ হাসান নির্বাচিত হয়েছেন।

 

 

সদস্য পদে নির্বাচিত সাতজন হলেন-এইচ এম আলাউদ্দিন, জিয়াউর রহমান মধু, আবদুস সেলিম, শামসুদ্দিন হারুন, মো. আবু বক্কর মিয়া, একেএম মহসিন ও মো. জাকির হোসেন।

 

 

ফেনী জেলার সোনাগাজীর আহমদপুরে ১৯৬৮ সালের ২ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন এম আবদুল্লাহ। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পড়াশোনা তাঁর পিতার প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসায়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এছাড়া সম্প্রতি তিনি ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) এ এমবিএ করেছেন। ছাত্রজীবন থেকেই এম আবদুল্লাহ সাংবাদিকতা শুরু করেন। তিন দশকের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তিনি মূলধারার বহুলপ্রচারিত সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

 

 

ফেনীর তৎকালীন পাঠকপ্রিয় সংবাদপত্র অর্ধসাপ্তাহিক ‘পথ’ পত্রিকায় ১৯৮৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি। ১৯৮৭ সালে ঢাকায় সাপ্তাহিক নতুন বার্তায় অনুসন্ধানী প্রতিবেদক হিসেবে যোগদান করেন। একই সময়ে সাপ্তাহিক ‘ঝর্ণা’ পত্রিকায় রাজনৈতিক প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৯০ সালের জুনে সে সময়ের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক ইনকিলাবে যোগ দেন। ইনকিলাবে সংবাদদাতা থেকে শুরু করে স্টাফ রিপোর্টার, সিনিয়র রিপোর্টার, চিফ রিপোর্টার ও বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে টানা ১৭ বছর সাংবাদিকতা করেন। ২০০৭ সালে এপ্রিলে আরেক শীর্ষ দৈনিক আমার দেশ এ বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে যোগদান করেন। এখানেও চিফ রিপোর্টার, চিফ পলিটিক্যাল রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ২০০৯ সাল থেকে নগর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

 

 

পেশা ও ব্যক্তিগত কাজে তিনি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে-আমেরিকা, কানাডা, ফ্রান্স, স্পেন, ইতালি, তুরস্ক, জাপান, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রভৃতি। পারিবারিক জীবনে তিনি দুই পুত্র ও দুই কন্যা সন্তানের জনক। তার স্ত্রী মোর্শেদা আক্তার গৃহিণী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *