ফেনীর উত্তর কাশিমপুরে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা !

ফেনী প্রতিনিধি 
 

চলতি মৌসুমে জেলায় সরিষা আবাদ হয়েছে ২ হাজার ১০৫ হেক্টর জমিতে। আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ৬৮০ হেক্টর জমিতে। বিগত বছরে সরিষা ফলন ভালো হওয়ায় আবাদ বেড়েছে বলে জানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।

আজ শনিবার সরিষা মাঠ পরিদর্শন করেন উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষন অফিসার,  মতিউর রহমান। উপসহকারী কৃষি অফিসার কাজী মনছুর অহাং ও পাঁচগাছিয়ার ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রণব চন্দ্র মজুমদার

গত বছরে সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে। এ বছর আবাদ বেড়েছে ৭০০ হেক্টর জমিতে। ২ হাজার ৭৩৭ মেট্রিক টন সরিষা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে এবার।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ফেনী সদর উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা ৯০০ হেক্টর, সরিষা আবাদ হয়েছে ১ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে। গত বছর ৮৯০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়। ছাগলনাইয়া উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা ১১০ হেক্টর, সরিষা আবাদ হয়েছে ১৩০ হেক্টর জমিতে। গত বছর আবাদ হয় ৯০ হেক্টর জমিতে। ফুলগাজী উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১২০ হেক্টর, আবাদ হয়েছে ১৫০ হেক্টর। গত বছর আবাদ হয়েছিল ৬২ হেক্টর জমিতে।

পরশুরাম উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১২০ হেক্টর, আবাদ হয়েছে ১৭৫ হেক্টর।

এবার ছয় উপজেলায় ১ হাজার ৬৮০ জন কৃষককে ইউরিয়া সার ও বীজ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।

পাঁচগাছিয়ার ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রণব চন্দ্র মজুমদার জানান, সদর উপজেলার মধ্যে পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নে তিনটি মৌবক্স স্থাপন করা হয়েছে। এতে কৃষকরা সরিষা চাষে আরো উৎসাহিত ও আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আমানুল ইসলাম জানান, পতিত জমিগুলোতে সরিষা চাষ করে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেন খান জানান, আমান ও বোরো ধানের মাঝামাঝি দু’মাস সময়ে কৃষকরা সরিষা চাষ করে আর্থিকভাবে সাবলম্বী হতে পারেন। সরিষা চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করতে সরকার বিনামূল্যে সার ও বীজ সরবরাহ করেছে। এবার জেলায় সরিষার বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *