ফেনীতে নিরবে কেটে গেলো সেলিম আল দীন’র ১১তম প্রয়াণ দিবস

শাহাদাত হোসেন তৌহিদঃ-ফেনীর কৃতিসন্তান বিশ্ববরেণ্য নাট্যাচার্য ড. সেলিম আল দীনের ১১তম প্রয়াণ দিবসে ঢাকা শিল্পকলা একাডেমিতে ৬ দিনের এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২দিনব্যাপি স্বরণোৎসবের আয়োজন করা হলেও নিজ জেলা ফেনীতে বা সোনাগাজীতে তাঁর প্রয়াণ দিবসকে ঘিরে কোন আয়োজন ছিলো না।  নিরবেই কেঁটে গেলো তাঁর প্রয়াণ দিবস।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে আলোচনা সমালোচনা। স্থানীয় কবি, লেখক, সংস্কৃিতকর্মী, সচেতন শিক্ষিত মহল এ নিয়ে ক্ষেভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

তাঁর ভক্ত, শুভাঙ্খীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন জাতীয় আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত একজন নাট্যকার। যাঁকে বলা হয় বাংলা নাটকের প্রবাদ পুরুষ। রবীন্দ্র পরবর্তীকালে সবচেয়ে বড় নাট্যকার অথচ নিজ জন্মস্থান ফেনী ও সোনাগাজীতে তাঁর জন্মদিনকে ঘিরে কোনো আয়োজনই ছিলো না। এটা খুবই দু:খজনক।

সোনাগাজীর সাংবাদিক মোতাহের হোসেন ইমরান বলেন, যেখানে জাতীয়ভাবে সেলিম আল দীনের জন্ম-মৃত্যু দিবস পালন করা হয় সেখানে তাঁর নিজ জন্মস্থান ফেনীতে কিংবা সোনাগাজীতে কোন আয়োজন না হওয়াটা দু:খজনক।

কবি ও সাংবাদিক শাবিহ মাহমুদ বলেন, এটি আসলেই দু:খজনক। দিন দিন সমাজ থেকে গুণী মানুষের কদর উঠে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে সেলিম আল দীন কেন্দ্রের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) রাজীব সারওয়ার জানান, সংশ্লিষ্ট লোকদের গাফিলতির কারণে প্রয়ান দিবসে সোনাগাজীতে কোন অনুুষ্ঠানে হয়নি। তবে সামনে করার চেষ্ঠা করছি।

তাঁর প্রয়াণের পর সোনাগাজীতে সেলিম আল দীনের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হতো সোনাগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুল আনামের নেতৃত্বে। তিনি জানান, ড. সেলিম আল দীন সারা পৃথিবীর একজন শ্রেষ্ঠ নাট্যকার। কিন্তু তাঁর পরিবারের কিছু লোক তাঁকে নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে রাখে। আমরা তাঁর বিষয়ে কোন কিছু করতে চাইলে তাদের আপত্তি থাকে, তাই এবার আমি পালন করতে আগ্রহী নয়।

সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল পারভেজ জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন কোনো আয়োজন ছিলো না। তা ছাড়া স্থানীয় কোন সাংস্কৃতিক সংগঠন এ বিষয়ে আগ্রহ দেখায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *