‘দূতাবাস সহযোগিতা করছে না’- পলাশের স্বজনের অভিযোগ

ফেনী প্রতিনিধি, ১৪ মার্চ ২০১৮

নেপালে দুর্ঘটনাকবলিত বিমানের যাত্রীর খোঁজ পেতে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতা পচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ফেনীর নিখোঁজ মতিউর রহমান পলাশের স্বজনরা।

নিখোঁজের বড় ভাই মিজানুর রহমান দৈনিক বাংলাদেশের খবরকে বুধবার বিকালে অভিযোগ করে বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের ফেসবুকে প্রকাশ করা নিহতদের তালিকায় পলাশের নাম দেখে তার খোঁজ পাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে আমার ভাগ্নে আশরাফুল আলম জীবনকে নেপালে পাঠানো হয়েছে ।

সে জানিয়েছে, পলাশের খোঁজ পেতে তাকে সহযোগিতা করছে না বাংলাদেশ দূতাবাস কর্মকর্তারা। কথাও বলছেন না সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। নেপালে পৌঁছার পর একদিন পার হয়ে গেলেও হতাহতদের দেখার সুযোগও মেলেনি। পলাশের স্বজনরা দ্রুত তার সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানার দাবী জানান ।

এদিকে জীবিত উদ্ধারকৃত যাত্রীদের মধ্যে পলাশের নাম না থাকায় ধারণা করা হচ্ছে সে বেঁচে নেই। এ খবরের পর থেকে শোকাচ্ছন্ন পলাশের বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন এলাকাবাসী ও স্বজনরা। এখন তার গ্রাম আউরারখিলে অজানা শংকায় চলছে শোকের মাতম।

মতিউর রহমান পলাশ (২৯) ঢাকায় বেসরকারি কো¤পানী রানা অটো মোবাইল ইঞ্জিনিয়ার অফিসার হিসাবে চাকরি করতেন। কোম্পানীর প্রয়োজনেই তাকে সেদিন ঢাকা থেকে নেপাল যেতে হয়েছিল। দুর্ঘটনাকবলিত বিমানের যাত্রী পলাশ ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে।

নিখোঁজ মতিউর রহমান পলাশ ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের আউরারখিল গ্রামের মৃত মো. আমিন উল্ল্যাহ মিয়ার পুত্র। ৫ ভাই ও ১ বোনের মধ্যে পলাশ সবার ছোট। ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ডিপ্লোমা পাশ করে ঢাকায় চাকুরী নেন।

উল্লেখ্য, গত সোমবার নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের বেসরকারি বিমানসংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান দুর্ঘটনায় প্রায় ৫০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *