এই মুহুর্তে সচেতনতা বড় প্রয়োজন…

::নুরুল আমিন হৃদয়::-
ছোট বেলা থেকেই পরিবারে,চলার পথে, লেখাপড়া করে শিক্ষা অর্জন করেছি নিজের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে পরিবারের স্বার্থে আমরাবড়দের কথা শুনবো, জ্ঞানীদের কথা শুনবো, রাষ্ট্রের কথা শুনবো। কিনতু কিছু মানুষ বীরদর্পে এখনো হাটে বাজারে ভীড় করছে,প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে শিক্ষিত অশিক্ষিত অনেকে হাঁটছেন। সামাজিক দুরত্ব বজায় না রেখে মানবিক দুরত্ব বজায় রাখছেন।এটা কোন ভাবেই কাম্য নয়।
অনেকে মাস্ক না পরে বাজারে ঘাটে অবাধে চলাচল করছেন।মাস্ক নিয়ে তাদের কোন গুরুত্ব নেই।
অনেককে আবার মুখে মাস্ক নাক খোলা, আবার নাকে মাস্ক মুখ খোলা, কারো মাস্ক থাকে পকেটে।
তাই মনে রাখতে হবে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হবেন না, আর বের হলে মাস্ক,হাতে গ্লাভস, অন্তত তিন মিটার সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখুন। নিজে পালন করুন, অন্যকে এই নিয়ম গুলো পালনে উৎসাহিত করতে হবে প্রতিটি মানুষকে।
আমেরিকা, ইতালী, ফান্স, জার্মানী, স্পেন,চীন থেকে তারা শিক্ষা নেয়নি। ঢাকা কিংবা নারায়নগঞ্জ চট্টগ্রাম থেকে কিছু লোক এখনও শিক্ষা নিচ্ছেনা।
দিন দিন মানুষের মানবিক মুল্যবোধ উঠে যাচ্ছে। কেউ কারো কথা শুনতে চায়না।
এখনও অনেক বাজার গুলোতে বাজার করতে শত শত মানুষ এক সাথ হয়। গ্রামের বাজার গুলোর দিকে তাকালে বোঝা যায় মানুষ অপ্রয়োজনে চা দোকানে রাস্তার পাশে অনেক বসে গল্পে মশগুল থাকেন।
এখনো দেশের বিভিন্ন জায়গায় বাজার গুলোতে মানুষের জমজামাট।
একজন নাগরিককে সব সময় মনে রাখতে হবে আমাদের অনেকের অনেক কিছু থাকতে পারে, আমাদের মধ্য অনেক দক্ষ আর প্রতিভাবান মানুষ আছেন ।কিনতু কেউ যদি কারো পরামর্শ না মেনে চলেন তাহলে বুঝে নিতে হবে আপনি অন্যদের ছোট করে দেখেন এবং অহঙ্কার প্রকাশ করেন। কিনত্তু কোনদিনও অন্যের কাছে সত্যিকার সম্মান পাবেন না।
আমাদেরকে সচেতন হতে হবে।নিজেরা সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখি, অন্যদের সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে উৎসাহিত করি। গ্রামের শিক্ষিত যুবকদের মানুষকে বোঝাতে হবে। সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। এক্ষেত্রে এই আলোকিত মানুষদের এগিয়ে আসতে হবে সচেতনতা তৈরীতে।
আজ থেকে প্রতিটি নাগরিক যেন ঘরের বাহিরে গেলে মাস্ক নিয়ে বের হয় এই মনমানসিকতা আর অভ্যাস তৈরী করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *